ফিউচারস ট্রেডিং কি? Futures Trading in Stock Market Explained in Bangla (Bengali)

ফিউচারস ট্রেডিং কি?

ফিউচারস ট্রেডিংকে কিন্তু বলা হয় বড়লোকের ট্রেডিং, কারণ একদিনে আপনি ১৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা কিন্তু ফিউচার ট্রেডিং এর মাধ্যমে উপার্জন করতে পারেন, শুধুমাত্র ১ লট শেয়ারের কন্ট্রাক্ট নিয়ে, এবং সেটা বাই করতে পারেন বা সেল করতে পারেন। কেনা বা বেচা উভয় দিকেই কিন্তু আপনি ফিউচার ট্রেডিং করতে পারেন। আমি এই উদাহরণে দেখাচ্ছি যে ফিউচারস ট্রেডিং কি?

আমি একটা উদাহরণ দিয়ে এখানে দেখাচ্ছি –  

ধরুন একজন কৃষক বাদাম চাষ করে, এবার একটা তেল কোম্পানি আছে যে ওই কৃষকের থেকে বাদামগুলো কেনে এবং কিনে বাদামতেল তৈরি করে। তেল কোম্পানি সেই কৃষকের থেকে একটা নির্দিষ্ট দামে বাদাম কেনে এবং এবং তার থেকে তৈরী হওয়া বাদামতেল, বাজারে একটা নির্দিষ্ট দামে প্যাকেট করে বিক্রি করে ।

তেল কোম্পানি কিন্তু তার বাদামতেলের দাম ইচ্ছেমত বাড়িয়ে দিতে পারে না, যে তেল সে বিক্রি করছে সেটা ১০০ টাকায় বা ১২০ টাকা পার প্যাকেট হিসেবে বিক্রি করছে। সেজন্য অয়েল কোম্পানি যখন ফার্মার থেকে নাট কিনছে সেক্ষেত্রে কিন্তু তাদের একটা বাইন্ডিং রয়ে যাচ্ছে কারণ তারা যদি বাদাম বেশি দামে কিনে তাহলে কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তারা তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারছে না।

ধরুন যদি ১০০০ টাকার জায়গায় ১৫০০ টাকা কেজি দরে যদি তারা বাদাম কেনে তাহলে কিন্তু তেলের দাম অটোমেটিক্যালি অনেকটা বেড়ে যাবে, প্রায় ১৫০ টাকা প্রতি প্যাকেট হয়ে যাবে, আগে যেটা ১০০ টাকা প্রতি প্যাকেট ছিল সেটা এখন ১৫০ টাকা প্রতি প্যাকেট হয়ে যাবে । তাই অয়েল কোম্পানি কৃষকের থেকে একটা নির্দিষ্ট দামে বাদামটা কিনবে সেটা তারা আগে থেকে একটা চুক্তি করে ঠিক করে নেয় যে, পরে যদি বাদামের দাম বেড়ে যায় তাহলেও কিন্তু তারা ১০০০ টাকা প্রতি কেজি হিসেবেই নেবে, এটাই হচ্ছে ফিউচারস কন্ট্রাক্ট বা চুক্তি ।

তাহলে ধরুন আজকে তারা কন্ট্রাক্ট করছে, আজকে হচ্ছে ১৭ই মে ২০২০, তারা কন্ট্রাক্ট করছে ফারমার-এর সাথে তিন মাস পরে তারা যখন ডেলিভারি নেবে বাদামের, যখন কৃষকের থেকে বাদামগুলো কিনবে তারা, তারা ১০০০ টাকা প্রতি কেজি দরে বাদাম কিনবে। তাহলে তিন মাস বাদে যদি বাদামের দাম ১৫০০ টাকাও হয়ে যায়, ১০০০ টাকা প্রতি কেজির জায়গায় ১৫০০ টাকা প্রতি কেজি হয়ে যায়, তাহলেও সেই অয়েল কোম্পানি কিন্তু প্রতি কেজি ১০০০ টাকা হিসেবে কিনবে।

ধরুন জুলাই মাসে হয়ে গেছে ১৫০০ টাকা পার কেজি, তাহলেও কিন্তু অয়েল কোম্পানি তার চুক্তি অনুযায়ী যেটা তারা মে মাসে করেছিল সেই ১০০০ টাকা প্রতি কেজি দরে কিন্তু তারা বাদামটা কিনবে, এটা হচ্ছে একটা ফিউচারস কন্ত্রাক্ট বা এটাকে একটা ফরওয়ার্ড কন্ত্রাক্ট ও বলা যেতে পারে, কারণ তারা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে একটা নির্দিষ্ট দামে বাদাম গুলো কিনবে ঠিক করছে, যদি দাম বেড়েও যায় তাহলেও তারা সেই পুরনো দামি কিনবে কারণ তারা কন্ট্রাক্ট করে নিয়েছেন আগেই মে মাসে, তিন মাস পরে যদি দাম বেড়েও যায় জুন জুলাই আগস্টে, তাহলেও কিন্তু তারা সেই পুরনো দামেই বাদাম কিনবে, এটা কিন্তু ফিউচার ট্রেডিং এর বেসিক কনসেপ্ট।

আমি কোল ইন্ডিয়া স্টকের ওপর বা কোল ইন্ডিয়া শেয়ারের ওপর ফিউচার ট্রেডিং এর একটা উদাহরণ দেখাচ্ছি। গতকাল ১৫ই মে যখন ক্লোজ হয়েছে কোল ইন্ডিয়া শেয়ার প্রাইস, লাস্ট ফ্রাইডে কল ইন্ডিয়া ক্লোজিং প্রাইস ছিল 129 টাকা 60 পয়সা। এখানে ফিউচার কন্ট্রাক্টের আন্ডারলায়িং বলতে কি বুঝাচ্ছে? কোল ইন্ডিয়া স্টক টাকে বোঝাচ্ছে। এখানে কোল ইন্ডিয়া শেয়ারের ওপর আমি ফিউচার কন্ট্রাক্ট করছি বা ফিউচার বাই করছি বা ফিউচার সেল করছি কিন্তু এর জায়গায় আমরা গোল্ড সিলভার বা ক্রুড অয়েল এর ওপরেও ফিউচার বাই / ফিউচার সেল করতে পারি।

তাহলে আন্ডারলায়িং অ্যাসেট বলতে বোঝাচ্ছে এখানে কোল ইন্ডিয়া শেয়ার বা গোল্ড সিলভার এগুলো হতে পারে। এগুলোকে বলা হয় আন্ডারলাইন অ্যাসেট যেগুলোর ওপর ফিউচার কন্টাক্ট করা হচ্ছে। এবারে দেখুন বাজারে 129 টাকা 60 পয়সা দাম কিন্তু ফিউচার এর দামটা একটু ডিফার করে মেন শেয়ার প্রাইস এর থেকে। ১৫ই মে তে শেয়ার প্রাইস ছিল 129 টাকা 60 পয়সা যেটা আমি দেখালাম একটু আগে কিন্তু ফিউচার প্রাইস 129 টাকা 40 পয়সা এন এস ই ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটে দেখাচ্ছে। তাহলে এবার ফিউচার এর কন্ট্রাক্ট যখন আমি করব, ফিউচার এর কিন্তু একটা এক্সপায়ারি ডেট আছে, ২৮শে মে ২০২০, তাহলে দাম যদি বেড়েও যায় তাহলেও কিন্তু আমি 129 টাকা 40 পয়সা তেই কিনব। ধরুন দাম চলে গেলো ২৮শে মে তে ১৭০ টাকা, তাহলেও কিন্তু আমি ২৮শে মে তেও 129 টাকা 40 পয়সা দামেই কিন্তু আমি শেয়ার গুলো কিনব, কোল ইন্ডিয়া শেয়ার এবং কতগুলো শেয়ার –  ১ লট শেয়ার । যদি আমি ১ লট বাই করি ফিউচার কন্ট্রাক্ট তাহলে কত গুলো শেয়ার ২৭০০ টা শেয়ার মিলে ১ লট শেয়ার হয় ।

আপনি কিন্তু একটা দুটো কিনতে পারবেন না, এক লট কিনতে হবে একটা গ্রুপে, তাহলে ২৭০০ টা শেয়ারের একটা লট আপনিও 129 টাকা 40 পয়সা দামে কিনতে পারবেন । ধরুন 28 শে মে দাম চলে গেছে 170 টাকা তখনো কিন্তু আপনি 129 টাকা 40 পয়সায় কিনতে পারবেন ।একটা কথার কথা বলছি ১৬০ টাকাও দাম চলে যেতে পারে।

তাহলে স্পট প্রাইস কাকে বলছে, স্পট প্রাইস হচ্ছে 129 টাকা 60 পয়সা যেটা শেয়ারের একচুয়াল প্রাইস, ফিউচার প্রাইস কিন্তু একটু করে ডিফার করে। এখানে এন এস ই ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটে দেখাচ্ছে 129 টাকা 40 পয়সা।

এর পরে যেটা মনে হয় আমিতো শেয়ারই কিনতে পারি ২৭০০ টা শেয়ার কিনে নিতে পারি, ফিউচার কেন কিনতে যাব? আমি ২৭০০ টা শেয়ারের যে গ্রুপটা সেটা কেন নেব, আমিতো ২৭০০ টা শেয়ারই বাই করতে পারি এবং ব্যাপারটা তো একই। শেয়ার প্রাইস যেরকমভাবে বাড়বে, ফিউচার কন্ট্রাক্টের প্রাইস অলমোস্ট সেভাবেই বাড়বে, প্রায় একইভাবে বাড়ে, ফিউচার না কিনে শেয়ারি কিনতে পারি।

এবার আমি দেখাচ্ছি আপনি কেন ফিউচার কিনবেন – আপনি যদি কোল ইন্ডিয়ার যেটা লাস্ট প্রাইস ছিল 129 টাকা 60 পয়সা সেটা যদি কিনতে চান ২৭০০ টা শেয়ার, তাহলে দাম পড়বে (২৭০০ X ১২৯.৬০) = ৩৪৯৯২০ টাকা, মানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। আগে থাকতেই শেয়ার ঠিক করা থাকে ১ লট মানে কতগুলো কোয়ান্টিটি, সেটা আগে থাকতে ঠিক করা থাকে আপনি কিন্তু এটা চেঞ্জ করতে পারবেন না। তাহলে কোল ইন্ডিয়ার ২৭০০ শেয়ার কিনতে গেলে আপনাকে পে করতে হবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। এবার ফিউচার কন্ট্রাক্ট নিলে আমার লাগবে 82 হাজার টাকা  ২৩% অফ টোটাল মানি মানে, ২৭০০ শেয়ার কিনতে আমার ৩.৫ লক্ষ টাকা লাগলে সেই পরিমাণ শেয়ার ফিউচার কন্ত্রাক্ট কিনতে কিন্তু আমার লাগবে 82 হাজার টাকা। তাহলে ওখানে ৩.৫ লক্ষ টাকা এবং এখানে 82 হাজার টাকা, মানে শেয়ার কিনতে যে পরিমান টাকা ইনভেস্ট করতে হচ্ছে, তার ২৩% আমার ফিউচার কন্ট্রাক্ট কিনতে লাগছে। সেই জন্য অল্প টাকায় নেওয়া যাবে বলে কতগুলো শেয়ার এর একটা এফেক্ট, সেজন্য ফিউচার কন্ট্রাক বাই করা হয়, যেহেতু অল্প টাকায় করা যায়। সাড়ে তিন লক্ষ টাকার জায়গায় শুধুমাত্র 82 হাজার টাকা দিয়ে আমি একই পরিমাণ একই কোম্পানির একই দামের ২৭০০ টা শেয়ার আমি যদি ফিউচার কন্ত্রাক্ট কিনি তাহলে আমি বাই করতে পারছি এবং সেটায় আমার ইনভেস্টমেন্ট অনেক কম টাকা পড়ছে। কিন্তু ফিউচার কন্টাকটার একটা এক্সপায়ারি ডেট আছে যেটা এখানে ২৮শে মে ২০২০। ফিউচার বা অপশন এর এই যে লট সাইজ সেটা চেঞ্জ করা যায় না, আগে থেকেই ফিক্স করা থাকে, যেটা আপনি চেঞ্জ করতে পারবেন না। যেমন টাটা স্টিলের লট সাইজ ১৫০০, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার লট সাইজ ৩৫০০ ইত্যাদি। তাহলে আপনি পাঁচ ভাগের এক ভাগ টাকা দিয়ে সমগ্র ২৭০০ শেয়ারের ই কিন্তু অধিকার টা পেয়ে যাচ্ছেন। এটা হচ্ছে ফিউচার কন্ট্রাক্টের একটা সুবিধে। তাহলে ফিউচার কন্ট্রাক্ট টা কি? তারমানে আপনি যখন কোল ইন্ডিয়ার ১ লট শেয়ার বাই করবেন এক্সপায়ারি ডেটে যদি তার দাম বেড়ে ১৬০ টাকা বা ১৭০ টাকা হয়েও যায়, আপনি কিন্তু ১২৯ টাকা ৪০ পয়সা দামেই কিনতে পারবেন, যদিও হয়তো তখন দাম বেড়ে গেছে ১৬০ টাকা বা ১৭০ টাকা। কিন্তু আপনি অনেক কম দামে সেটা কিনতে পারবেন ।

দাম বাড়ার একটা চান্স আছে কারণ মিনিস্টার নির্মলা সীতারামন গতকাল মাইনিং নিয়ে, কোল টোল এসব নিয়ে কিছু ঘোষণা করেছেন যার ফলে দাম কিন্তু বাড়তে পারে কাজেই এটা আপনারা কিনতে পারেন ।

এবার ব্যাপার হচ্ছে আপনি কি এক্সপায়ারি ডেট অব্দি অপেক্ষা করবেন? দাম বাড়বে বলে আপনি কি অপেক্ষা করবেন? ধরুন আগামীকাল সোমবার 10 টাকা দাম বেড়ে গেল, তাহলে আপনি কি করবেন? সেটা তো বাড়তেই পারে, তাহলে কি আপনি আর ওয়েট করবেন? না, এখানে কিন্তু ওয়েট করার কোনো ব্যাপার নেই।  

ধরা যাক ২৮শে মে কোল ইন্ডিয়া শেয়ার এর ফিউচার প্রাইস চলে গেল ১৬০ টাকা, এখানে ক্যাশ সেটেলমেন্ট হয়, তাহলে আপনি 129 টাকা 40 পয়সা তেই কোল ইন্ডিয়া শেয়ার কিন্তু ২৮শে মে তে কিনতে পারবেন, যদিও দাম বেড়ে ১৬০ বা ১৭০ টাকাও হয়ে যায়। 

তাহলে এই যে প্রাইস ডিফারেন্স হবে, শেয়ারের দাম আসলে তখন ১৬০ টাকা পৌঁছে গেছে, কিন্তু তখন আপনি কিনতে পারছেন 129 টাকা 40 পয়সায়। এই যে প্রাইস গ্যাপটা এটা কিন্তু আপনার প্রফিট হয়ে যাবে।তাহলে আপনার প্রফিট হবে (১৬০ – ১২৯.৪০) X ২৭০০ = ৮২,৬২০ এটা ২৮শে মে তে যখন দাম ১৬০ টাকা। তাহলে নিশ্চয়ই বোঝা গেল ফিউচার কন্ট্রাক্টের বেসিক ফান্ডাটা।

এবার ধরুন বেড়ে না গিয়ে তো কমেও যেতে পারে। ধরা যাক ২৮শে মে তে মানে ফিউচার কন্ট্রাক্টের এক্সপায়ারি ডে তে কোল ইন্ডিয়া শেয়ারের দাম কমে হয়ে গেল ১২০ টাকা, তাহলেও কিন্তু আপনাকে 129 টাকা 40 পয়সা দামে কিনতে হবে, যদিও শেয়ারের দাম কমে গেছে ১২০ টাকায়। তাহলে আপনাকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। শেয়ারের দাম কমে গেলে অবভিয়াসলি ফিউচার দামও কমে যাবে কিন্তু কন্টাক্ট অনুযায়ী আপনাকে বেশি দামে কিনতে হবে। তখন কিন্তু আপনার লোকসান হয়ে যাবে, যদি শেয়ারের দাম পড়ে যায়। কারণ আপনি ফিউচার বাই করেছিলেন। আপনার লাভ হতো যদি ফিউচারে সেল করা থাকতো। যদি ১২৯.৪০ টাকায় আপনি ফিউচার কন্ট্রাক্ট সেল করে রাখতেন, এবং এক্সপায়ারি ডে ২৮শে মে তে দাম কমে ১২০ টাকা মতন হয়ে যায়, তখন তাহলে আপনি কম দামে সেই কন্ট্রাক্ট টা বাই করতে পারবেন, এবং আপনার লাভ হবে।   

আবার ধরুন আপনার শেয়ারের দাম যদি কালকে 140 টাকায় চলে যায়, তাহলে সমানে ফিউচার কন্ট্রাক্টের দামও বেড়ে যাবে, ধরেনি ১৪০ টাকা ১০ পয়সা এরকম হয়ে গেছে, আগের দিন যে ফিউচার টা কিনেছিলেন সেটা আপনি সেল করে দিতে পারবেন কালকে মানে পরের দিন এবং আপনার একদিনে প্রফিট এসে যাবে (১৪০.১০ – ১২৯.৪০) X ২৭০০ = ২৮৮৯০ টাকা, প্রায় 29 হাজার টাকা। বোঝা গেল নিশ্চয়ই আপনার ফিউচার কন্ট্রাক্ট লাস্ট এক্সপায়ারি ডেট অব্দি হোল্ড করে রাখার কোন দরকার পড়ে না। এখানে কি হচ্ছে, আপনি যে ফিউচার কন্ট্রাক্ট কিনেছিলেন সেটা আপনি অন্য জনকে ট্রান্সফার করে দিচ্ছেন, আপনি যখন বিক্রি করছেন কেউ তো একজন কিনছে। তাহলে সে ফিউচার কন্ট্রাক্ট টা হোল্ড করবে।  তার ভিশন কি? সে মনে করছে কোল ইন্ডিয়ার শেয়ারের দামটা আরো বাড়বে। তাহলে নিশ্চয়ই বোঝা গেছে ফিউচার কন্ট্রাক্ট সম্বন্ধে।

Watch the YouTube video on Futures trading in Indian stock market in Bangla

Published by Share Market Training Kolkata

Welcome to the share marker courses of Bikram Choudhurys conducted in Kolkata. Also live online share trading courses are available for all India students. These stock market courses has been designed for beginners to stock market. Because most beginners in share market trading start with big losses. So Mr Choudhury wants to educate them - how to minimize losses and maximize profit in share market